বাংলাদেশের কারখানা সংস্কার কাজের ৮০ ভাগ শেষ হয়েছে বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা- আইএলওর মহাপরিচালক গাই রাইডার। শ্রম আইনে সংশোধনের পরামর্শও দিয়েছেন তিনি। ঢাকা সফরের সার্বিক দিক তুলে ধরতে সকালে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন আইএলও মহাপরিচালক। আর শ্রম প্রতিমন্ত্রী মুজিবুল হক জানিয়েছেন, প্রয়োজন হলে সংশোধন করা হবে শ্রম আইন।

তাজরীন ফ্যাশনসের অগ্নিকাণ্ড আর রানা প্লাজা ধসে হাজারের বেশি শ্রমিক নিহত হওয়ায় দেশে-বিদেশে সমালোচানার মুখে পড়ে পোশাক শিল্প। দেশের কারখানার কর্মপরিবেশ নিরাপদ ও উন্নত করতে শুরু হয় সংস্কার কাজ। ২০১৩ সালে সংশোধন এনে পাস করা হয় শ্রম আইন।

তবে, বিদ্যমান শ্রম আইন আরো সংশোধনের পরামর্শ দিলেন আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা- আইএলওর মহাপরিচালক গাই রাইডার। এ দেশের শ্রম আইনে সংশোধন আনা প্রয়োজন। কারখানার শ্রমিকবান্ধব কর্মপরিবেশ উন্নয়নের মাধ্যমে উৎপাদন বাড়াতে সামাজিক সংলাপ হতে হবে বলেন তিনি।

ঢাকা সফরে দুটি কারখানা পরিদর্শন করেন আইএলও মহাপরিচালক। সংস্কারমূলক কাজের অগ্রগতি নিয়ে সন্তোষ জানিয়ে তিনি এক্ষেত্রে আর কাজ করার পরামর্শ দেন। শ্রমিকদের দক্ষতা বাড়ানোকে মূল চ্যালেঞ্জ মনে করছেন গাই রাইডার।

রাইডার বলেন, আমি এখানকার দুটি কারখানা পরিদর্শন করেছি। অনেক সংস্কারমূলক কাজ হয়েছে। তবে, আরো কাজ বাকি আছে। এছাড়া শ্রমিকদের দক্ষতা বৃদ্ধির বিষয়টিতেও গুরুত্ব দিতে হবে।

সংবাদ সম্মেলনে শ্রম প্রতিমন্ত্রী মুজিবুল হক বলেন, এখন পর্যন্ত প্রায় ৮ হাজার ট্রেড ইউনিয়নের অনুমোদন দেয়া হয়েছে। প্রয়োজন হলে শ্রম আইনের সংশোধনের বিষয়টিও বিবেচনা করা হবে। কারখানা সংস্কার কাজে এখন আর অ্যাকর্ড ও অ্যালায়েন্সের প্রয়োজন নেই বলে জানিয়েছেন শ্রম প্রতিমন্ত্রী।

ভাগ

কোন মন্তব্য নেই