আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল-আলম হানিফ এমপি বলেছেন, জিয়াউর রহমান রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা দখল করে অবৈধভাবে বিএনপি গঠন করেছিলেন।তিনি বলেন, ‘বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা দখল করে অবৈধভাবে বিএনপি গঠন করেছিলেন। এ অশুভ শক্তি দেশের জনগণের দুশমন।’
আওয়ামী লীগের এ নেতা আরো বলেন, ‘তারা যতদিন থাকবে ততদিন এ দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করবে। তাদের সকল ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করেই দেশকে উন্নতির দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে।’
আওয়ামী লীগের মুখপাত্র মাহবুব-উল-আলম হানিফ সোমবার বিকেলে হাবিবুর রহমান সিরাজ চতুর্থ বারের মতো আওয়ামী লীগের শ্রম বিষয়ক সম্পাদক নির্বাচিত হওয়ায় তাকে দেয়া সংবর্ধনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।
ঢাকা মহানগর দক্ষিণ শ্রমিক লীগ রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ের আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের সামনে এ সংবর্ধনা সভার আয়োজন করে।
ঢাকা মহানগর দক্ষিণ শ্রমিক লীগের সভাপতি মো. শামসুর রহমান বকুলের সভাপতিত্বে সংবর্ধনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী এমপি, জাতীয় শ্রমিক লীগের কার্যকরি সভাপতি ফজলুল হক মন্টু ও সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম।অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক আহসান হাবিব মোল্লা।
দেশের মানুষ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাথে রয়েছে উল্লেখ করে মাহবুব-উল-আলম হানিফ বলেন, আগামী নির্বাচনেও জনগণ আওয়ামী লীগকে নির্বাচিত করবে এবং বিএনপিকে আস্তাকুঁড়ে নিক্ষেপ করবে।তিনি বলেন, দেশের মানুষের প্রতি আস্থা হারিয়েই বিএনপি নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ইস্যু বানিয়ে মাঠ গরম করার জন্য নির্বাচন কমিশন গঠনের প্রস্তাব দিয়েছেন।
এ বিষয়ে হানিফ বলেন, নির্বাচন কমিশন গঠনের প্রস্তাবে মাধ্যমে বেগম খালেদা জিয়ার সাথে জামায়াতের আত্মিক সম্পর্ক কখনো ছিন্ন হবার নয় তা প্রমাণ করেছেন।
তিনি আরো বলেন, নির্বাচন কমিশনকে বিতর্কিত করতেই বিএনপি নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের দাবী করেছে। কিন্তু দেশের মানুষ বিএনপির এ অপচেষ্টাকে কখনো সফল হতে দেবে না।
আব্দুর রহমান বলেন, একটি শক্তিশালী নির্বাচন কমিশনের অধীনে দেশে সময়মত জাতীয় নির্বাচন হবে। ইচ্ছা করলে বিএনপি সে নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করতেও পারে, আবার ইচ্ছা করলে নাও পারে।
তিনি বলেন, আগামী জাতীয় নির্বাচনকে ঠেকিয়ে রাখার কোন অধিকার কারো নেই। বিগত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করে বিএনপিকে যেমন মাশুল দিতে হচ্ছে আর আগামী নির্বাচনে অংশ গ্রহন না করলে তার চেয়েও চড়া মূল্য দিতে হবে।

ভাগ

কোন মন্তব্য নেই