​নিজস্ব প্রতিবেদক: গর্ডন গ্রিনিজের নাম মনে আছে? ক্রিকেটে একটি জয়ের জন্য তার হাতে সম্মানসূচক তুলে দেয়া হয়েছিল বাংলাদেশের পার্সপোর্ট।

লুসি হল্টকে কয়জন চেনে? জীবনের ৫৬টি বছর এদেশে থেকে নীরবে সেবা দিয়ে যাওয়া এবং মুক্তিযুদ্ধে আহতদের সেবা প্রদান করা, শুধুমাত্র নিজ দেশের কাগুজে নাগরিকত্বের জোরে মাসিক ছয় হাজার টাকা ভাতা গ্রহণ করে বাংলাদেশের মানুষকে ভালবেসে এখানেই থেকে যাওয়া এই নারীকে আমরা দ্বৈতী নাগরিকত্ব দিতে পারিনি এখনো। ৩৮ হাজার টাকা ফী দিয়ে তাকে প্রতি বছর ভিসার মেয়াদ বাড়িয়ে থাকতে হচ্ছে। তবুও এ মাটিতেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করতে চান লুসি।
নিজ দেশের চেয়ে বিদেশীদের বেশি প্রশংসা করায় ক্ষোভ রয়েছে বাংলাদেশীদের প্রতি। তিনি বলেন, “বাংলাদেশীরা নিজেরা নিজেদের পেছনে লেগে থাকে। নিজেরা নিজেদের প্রশংসা করে না। এটা আমাকে কষ্ট দেয়। আমি চাই একে অপরকে ভালোবাসবে, প্রশংসা করবে।”

ভাগ

কোন মন্তব্য নেই