মীনা মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড পেলেন খায়রুল বাশার আশিক

post_image

খায়রুল বাশার আশিক। (ছবি: সংগৃহীত)

শিশুদের বিষয়ে অসামান্য কাজের জন্য ১৬তম মীনা মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড পেলেন ডেইলি বাংলাদেশ-এর সাব-এডিটর খায়রুল বাশার আশিক। টেক্সট ক্যাটাগরিতে দ্বিতীয় হয়েছেন তিনি।

আজ সোমবার বিকেল ৩টায় ভার্চুয়ালি এক কনফারেন্সের মাধ্যমে পুরস্কার বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করে ইউনিসেফ বাংলাদেশ। ইউনিসেফ বাংলাদেশ-এর ফেসবুক পেজে অনুষ্ঠানটি সরাসরি সম্প্রচার করা হয়।

অবহেলিত উপকূলের মান্তা জনগোষ্ঠীর শিশুদের নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করায় এই পুরস্কার জিতেছেন তিনি। প্রকাশিত ওই সংবাদের শিরোনাম ছিল ‘নৌকায় জন্ম ওদের, নৌকায় বেড়ে ওঠা’।

পুরস্কার প্রাপ্তির পর অনুভূতি ব্যক্ত করে আশিক বলেন, ‘যে কোনো পুরস্কার কাজে উৎসাহ জোগায়। আমার কাছে এই পুরস্কার অনেক বড় একটি প্রাপ্তি। এই পুরস্কার নিশ্চয়ই আমার কাজের প্রতি আগ্রহ আরো বাড়িয়ে দেবে। এই পুরস্কার আগামীতে আরো ভালো প্রতিবেদন লেখায় অনুপ্রেরণা জোগাবে। আমার এই ছোট সাংবাদিকতা জীবনে যাদের অবদান রয়েছে, আমি তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।’

সাংবাদিক খায়রুল বাশার আশিক জন্ম নিয়েছেন উপকূলীয় জেলা বরগুনায়। বাবা আবুল কালাম আজাদ ও মা সেলিনা পারভীনের তিন সন্তানের মধ্যে তিনিই বড়। মাধ্যমিকের শিক্ষার্থী থাকাকালে পেশা হিসেবে বেছে নেন সাংবাদিকতাকে। মনের মধ্যে সেই স্বপ্নকে পুষে রেখে উচ্চ মাধ্যমিক শেষ করেই স্বপ্ন দেখেন সাংবাদিকতা বিভাগে পড়ালেখার। তবে নানা কারণে তার সেই স্বপ্ন বাস্তবায়ন হয়নি। পরে সমাজবিজ্ঞান বিষয়ে অনার্স-মাস্টার্স করলেও মনের মধ্যে পুষে রাখেন সাংবাদিকতাকে। বর্তমানে তিনি সাব-এডিটর হিসেবে যোগ দিয়েছেন অনলাইন নিউজ পোর্টাল ডেইলি বাংলাদেশে।

শিশুদের উন্নতি ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত জাতিসংঘের শিশু তহবিল (ইউনিসেফ) প্রতিবছর এই সম্মাননা দিয়ে থাকে। এ বছর পুরস্কারের জন্য জমা পড়েছে প্রায় এক হাজারের বেশি আবেদন। সেখান থেকে প্রতিটি বিভাগে মনোনীত পাঁচজনের মধ্যে সেরা তিনজন বিজয়ীর নাম ঘোষণা করে ইউনিসেফ।

এবারের মীনা মিডিয়া অ্যাওয়ার্ডসে বিচারক হিসেবে ছিলেন টেক্সটভিত্তিক প্রতিবেদনের জন্য পুরস্কার বিজয়ী ঔপন্যাসিক সেলিনা হোসেন, বর্ষীয়ান সাংবাদিক ও শিক্ষক শাহনুর ওয়াহিদ এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক গীতিআরা নাসরিন। ফটোগ্রাফির জন্য রয়টার্সের ভিডিও সাংবাদিক রফিকুর রহমান, এক্টিভিস্ট ও পুরস্কার বিজয়ী আলোকচিত্রী জান্নাতুল মাওয়া এবং পুরস্কার বিজয়ী আলোকচিত্রী আবু নাসের। ভিডিওর জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক রুবায়েত ফেরদৌস, সম্প্রচার সাংবাদিক মিথিলা ফারজানা এবং রয়টার্সের চিফ করেস্পন্ডেন্ট রুমা পল।

বাংলাদেশ মেইল/এমআরকে

সকল খবর

সকল খবর পড়ুন